বনেই সুন্দর টিয়ারা, খাঁচায় পৃথিবী হয় অভিশপ্ত

সবুজ টিয়া। ছবি তুলেছেন: লেখক।

বিশ্বের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে আছে এই ধরিত্রী মায়ের সৌন্দর্য। প্রকৃতি মাতা তার সবটুকু উজাড় করে চির নির্মলতায় সাজিয়েছে পৃথিবীকে। রঙে রঙে রঙিন করে তুলেছে আমাদের চারিদিক আর রূপ, সৌন্দর্য্য, লাবণ্য আর প্রাকৃতিক পরিবেশ দিয়ে। ধরিত্রীতে বসবাসকারী সুন্দরতম রঙিন জীব হলো বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। পৃথিবীর সকল প্রান্তে সময়ের পরিক্রমায় আজ সে অভিযোজিত।

বাংলাদেশ আয়াতনে ছোট একটি দেশ হলেও রয়েছে বন্যপ্রাণীর এক বিশাল সম্ভার। সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি রয়েছে ৬৯০ প্রজাতির পাখি। এরমধ্যে অন্যতম আকর্ষণ টিয়া জাতীয় পাখি। বিশ্বে প্রাপ্ত টিয়া পাখির সংখ্যা প্রায় চারশো।

বাংলাদেশের টিয়া:
Psittaciformes বর্গের অন্তর্গত Psittacidae:

পরিবারের সাত প্রজাতির টিয়ার দেখা মেলে বাংলাদেশে। তাদের অপূর্ব বর্ণ যেমন সবুজ বাংলার প্রকৃতিকে দিয়েছে অপূর্ব রূপ, তেমনি তাদের মোহনীয় সুর প্রকৃতিতে আনে মাধুর্য। সরু লম্বাটে দেহের সাথে বিশাল বাকানো চঞ্চু সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ।

সবুজ টিয়া (Rose-ringed Parakeet) Psittacula krameri:

বাংলাদেশ সব থেকে বেশি এবং সবসময়, সব স্থানে যে প্রজাতির দেখা মেলে তার নাম হলো সবুজ টিয়া। আকারে বড় প্রায় ৪২ সে.মি। সবুজ দেহ। দীর্ঘ সবুজ সরু লেজে নীল আভা। পুরুষের থুতনিতে কালো রেখা, আর গলায় ঘাড়ে গোলাপি বলয়, হলদে সাদা চোখ। লাল চঞ্চু। জানুয়ারি থেকে জুলাইয়ের মধ্যে এরা প্রজনন করে। গাছের ফোকর, বিল্ডিং এর বিভিন্ন গর্তে এরা বাসা তৈরী করে। এরা আমাদের দেশের আবাসিক পাখি। এরা ফলভূক পাখি।

সবুজ টিয়া (বামে), চন্দনা টিয়া (ডানে)
চন্দনা-টিয়া (Alexandrine Parakeet) Psittacula eupatria:

Alexandrine নামটা সম্রাট আলেক্সান্ডার এর নাম থেকে নেওয়া। তার সময় এই পাখিটি ব্যাপক পরিচিত লাভ করে। বাংলাদেশে প্রাপ্ত সব থেকে বড় আকৃতির টিয়া। দৈর্ঘ্য ৫৩ সে.মি। বিশাল লাল চঞ্চুর শেষ প্রান্ত কমলা। কাঁধে মেরুন পট্টি। লম্বা সবুজ লেজের কিছু অংশ নীল ও হলুদ। পুরুষের থুতনিতে কালো রেখা, আর গলায় ঘাড়ে গোলাপি বলয়। ডাকটা কিছুটা কর্কশ। দিবাচর এই পাখি, একাকী অথবা ছোট গ্রুপ সহকারে ঘোরে। সাধারণত ফল, শষ্য, বীজ, ফুল ও মধু খেয়ে থাকে। ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল মাস প্রজনন ঋতু। গাছের গর্ত বা বিল্ডিং এর ফাঁকে বাসা তৈরি করে।

বাংলাদেশে চন্দনা টিয়া বিরল আবাসিক পাখি হিসেবে গণ্য। ২০০০ সালের আইইউসিএন বাংলাদেশ-এর তথ্যমতে, Critically Endangered পাখিদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলেও বর্তমানে ২০১৫ সালের তথ্য মতে পাখিটি Least Concern এর আওতায়। ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে এই পাখিটির দেখা মেলে, কিন্তু সংখ্যায় কম। পাখিটি বাংলাদেশে ছাড়া Southern Asia-তে বিস্তৃত। সারা পাখিটি আইইউসিএন- এর তথ্যমতে, Near Threatened অবস্থায় রয়েছে। পাখিটি ৩০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।

মদনা টিয়া (Red-breasted Parakeet) Psittacula alexandri:

বৈজ্ঞানিক নাম আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটকে স্মরণ করে যার সেনাবাহিনী গ্রীক অঞ্চলে এই প্রজাতির পাখি নিয়ে এসেছিল। আকারে বেশ বড়, ৩৮ সে.মি। লালচে পেট ছাড়া দেহ সবুজ, কাঁধ হলদে এবং মাথা ধূসর। হলদে চোখ এবং চোখ থেকে কপাল পর্যন্ত কালো ব্যান্ড। নিচের চঞ্চু কালো। লেজ বেগুনী-নীল এবং লেজের সম্মুখ হলুদ। পুরুষের উপরের চঞ্চু গাড় লাল আর স্ত্রী এর কালচে বাদামী। দিবাচর এই পাখিটি মাঝারি গ্রুপে, একাকী অথবা জোড়াবদ্ধ ভাবে থাকে। সাধারণত নরম কান্ড, ফল, বীজ, শস্যদানা এবং মধু খায়। মার্চ থেকে জুন মাসে এদের প্রজনন মৌসুম, গাছের গর্তে বাসা তৈরি করে। পাখিটি বাংলাদেশের আবাসিক পাখি।

মদনা টিয়া।
ঢাকা শহরে মদনা টিয়ার অবস্থান:

পাখিটির মূল আবাসস্থল বাংলাদেশের সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রামের চিরহরিৎ বনাঞ্চল। এছাড়া দেশের মধ্যভাগের মধুপুর বনাঞ্চলেও ও তৎসংলগ্ন এলাকায় দেখা যায়। ঢাকা শহরে বন্যপাখি পালনের প্রবণতা দেখা যায়, যা বন্যপাখির জন্য হুমকি স্বরূপ এবং তাদের জনসংখ্যা কমে যাওয়ার একটি বড় কারণ। বিভিন্ন সময়ে এই প্রজাতির পাখিদের ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উদ্ধার করে অবমুক্ত করা হয়। ফলে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় এদের দেখা মেলে। তবে শহরের কোথাও প্রজননের কোন হদিস এখনও মেলেনি।

লালমাথা-টিয়া (Plum-headed Parakeet) Psittacula cyanocephala:

রূপকথার সেই হিরামন নামে পরিচিত পাখিটি লাল মাথা টিয়া। দৈর্ঘ্যে ৩৬ সে.মি। হলদে সবুজ দেহ। নীল লেজের প্রান্ত সাদা। হলদে চোখ। উপরের চঞ্চু ফিকে কমলা হলুদ এবং নিচের চঞ্চু কালচে বাদামী। পুরুষের মাথা লাল। থুতনি ও গলায় কালো দাগ। স্ত্রী পাখির মাথা ধূসর বর্ণের। গলা ও ঘাড়ে হলদে ব্যান্ড। তীব্র শব্দ করে ডাকে। দেশের মধ্য ভাগ, উত্তর পশ্চিমাঞ্চল এবং দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের বনভূমিতে পাওয়া যায়। এটি একটি বিরল আবাসিক পাখি। দিবাচর পাখিটি একা অথবা ছোট গ্রুওে দলবদ্ধ হয়ে বসবাস করে। সাধারণত ফল শষ্যদানা, ফুল, বীজ ও মধু খায়। গাছের কোটরে গর্ত করে বাসা তৈরী করে। জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত এদের প্রজনন মৌসুম।

ফুলমাথা-টিয়া (Blossom-headed Parakeet) Psittacula roseata:

বাংলাদেশে প্রাপ্ত টিয়াদের মধ্যে সুন্দরতম একটি প্রজাতি। পুরুষের মাথা গোলাপি, কপাল ও গলা লালচে, থুতনি আর গলায় কালো লাইন, উপরের চঞ্চু ফিকে কমলা এ নিচের চঞ্চু কালো। স্ত্রী পাখির মাথা ধূসর নীল। উপরের চঞ্চু ফিকে-কমলা এবং নিচের চঞ্চু বাদামী। চোখ হলুদ। নীলচে লেজের প্রান্ত হলদে। সবুজ দেহটি আকারে ৩৬ সে. মি হয়। বাংলাদেশর দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চল ও উত্তর পশ্চিমাঞ্চল এর পাহাড়ি মিশ্র চিরসবুজ বনের আবাসিক পাখি। সুন্দরবনের উত্তরাংশে এই পাখির দেখা পাওয়া গিয়েছে। দিবাচর পাখিটি একা অথবা ছোট গ্রুপে দলবদ্ধ হয়ে বসবাস করে। সাধারণত ফল শষ্যদানা, ফুল, বীজ ও মধু খায়। গাছের কোটরে গর্ত করে বাসা তৈরী করে। জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত এদের প্রজনন মৌসুম।

চন্দনা টিয়া।
মেটে মাথা টিয়া (Gray-headed Parakeet) Psittacula finschii:

বাংলাদেশের টিয়াদের মধ্যে আই ইউ সি এন বাংলাদেশ ২০১৫ এর তথ্য মতে সংকটাপন্ন বিরল আবাসিক পাখি এবং যার দেখা শুধু মাত্র বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের মিশ্র চিরসবুজ পাহাড়ী বনে পাওয়া যায়। ৩৬ সে.মি দীর্ঘ দেহের বেগুনী নীল লেজের আগা হলদে। উপরের চঞ্চু গাঢ় লাল এবং নিচের চঞ্চু হলুদ। ধূসর মাথা এবং থুতনি কালো। চোখ হলুদ এবং পা কালো। দিবাচর পাখিটি ছোট থেকে গ্রুপে দলবদ্ধ হয়ে বসবাস করে। সাধারণত ফল, শষ্যদানা, ফুল, বীজ ও মধু খায়। গাছের কোটরে গর্ত করে বাসা তৈরি করে। ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত এদের প্রজনন মৌসুম।

বাসন্তী-লটকনটিয়া (Ventral Hanging-Parrot) Loriculus vernalis:

বাংলাদেশের Psittacidae পরিবারের সব থেকে ছোট আকৃতির প্রজাতি।। আকারে চড়ুই এর মতো। ১৪ সে.মি.। গাঢ় লাল চঞ্চু, লাল কোমড় আর উড়ার সময় চট, চট, চট ডাক এক অপূর্ব মনোরম দৃশ্য তৈরি করে। সাদা চোখ। পুরুষ পাখির নীল গলা আর পা কমলা। দক্ষিণ পূর্ব আর উত্তর পূর্বাঞ্চলের চির সবুজ বনে বসবাস আমাদের দেশের আবাসিক এই পাখির। দিবাচর এই পাখিটি ছোট থেকে মাঝারি গ্রুপে উড়ে বেড়ায়। ফল ও ফুলের নরম অংশ এবং মধু খায়। সাধারণত উল্টোভাবে ঝুলে খাদ্য খেয়ে থাকে৷ গাছের কোটরে গর্ত করে বাসা তৈরি করে। ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত এদের প্রজনন মৌসুম।

পাখি সংরক্ষণের কিছু কথা:

পুরো ভারতীয় উপমহাদেশের ১২ প্রজাতির টিয়ার মধ্যে সাতটি অপূর্ব সুন্দর প্রজাতির টিয়ার বসবাস আমাদের প্রিয় বাংলাদেশে। প্রাকৃতিক পরিবেশ এর ভারসাম্য রক্ষা করে। পরাগায়নে সহায়তা করে উদ্ভিদের। এছাড়া বীজ বিস্তৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। টিয়ার নান্দনিক সৌন্দর্য পরিবেশে লাবন্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। তাদের কলকাকলীতে মুখরিত থাকে আমাদের পরিবেশ। দু:খজনক হলেও সত্যি বাংলাদেশ সহ পুরো বিশ্বে টিয়ার সংখ্যা দিন দিন কমছে। বাংলাদেশের টিয়া পাখির ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটছে। বনের টিয়া পাখিকে ধরে খাঁচায় আটকিয়ে কষ্ট দিয়ে পোষ মানানোর চেষ্টা করা হয় যা কখনই কাম্য নয়।

ফুল মাথা টিয়া।

বাংলাদেশে প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের টিয়াকে শহর ও গ্রামাঞ্চলে বিক্রি করতে দেখা যায়। বন্যপাখির স্বাভাবিক জীবন-যাপন এতে বিঘ্নিত হয়। ফলে একটি পাখি দিন দিন সৌন্দর্য হারিয়ে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়। আমাদের ভাবা উচিত বুনো পাখিরা প্রাকৃতিক খাবার খেয়ে অভ্যস্থ। হঠাৎ তাদের খাদ্যাভাসে পরিবর্তন, বন্দী জীবন আর মুক্ত আকাশে উড়ে বেড়ানোর আত্ন-চিৎকার পাখিটিকে জীর্ণ শীর্ণ করে দেয়।

এ দেশের টিয়া পাখিদের বেশিরভাগ ক্রেতা শিশুরা এবং শহরের সৌখিন শ্রেণির মানুষ। মানুষ সৌন্দর্যের পূজারী। কিন্তু প্রত্যেকটি জিনিস তার আপন পরিবেশে সুন্দর এটা মানুষের বোধদয় হয় না। শিশুদের টিয়া পাখি কিনে দেয়া এবং খাঁচায় আটকিয়ে পালন করার মাধ্যমে তার মস্তিষ্কে যে সূদুর প্রসারী মারাত্মক ধংসাত্মক চিন্তা গ্রথিত করা হয় এটা অভিভাবক শ্রেণিকে বুঝতে হবে। কোন প্রাণীকে কষ্ট দেয়ার মাধ্যমে আনন্দ পাওয়ার চর্চা থেকে শিশুদের বের করে নিয়ে আসা জরুরি। প্রতিটি প্রাণের বেঁচে থাকার অধিকার আছে এই পৃথিবীতে। আর এটা সমানভাবে সকলকে বুঝতে হবে ও বুঝাতে হবে।

শিশুরা আগামীদিনের ভবিষ্যত। আর একটি মানুষের শৈশবের শিক্ষা তার সারা জীবন প্রতিফলিত হয়। শিশুরা বেশিরভাগ সময় তাদের আশেপাশের মানুষ বিশেষ করে শিক্ষকদের অনুকরণ করে। জীব-বৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণী সম্পর্কে প্রাথমিক শিক্ষা স্তরের শিক্ষকদের সচেতন হতে হবে এবং তাদের নিজ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে হবে। তখন আর এই শিশুরা ক্রেতা নয়, তারা হবে দেশের বন্যপ্রাণী রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী।

ফুল মাথা টিয়া। 

অনেক শিশু মীনা কার্টুন দেখে মিঠু নামের টিয়ার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে টিয়া পাখি কিনতে ইচ্ছুক হয়। বাস্তবে মিঠুর মতো কথা বলা আর বুদ্ধিমান পাখি টিয়ারা নয়। মীনা কার্টুনে মিঠুর অবস্থান পরিস্কার হওয়া দরকার। আর এই কার্টুনের অন্তত: একটি পর্বের মাধ্যমে এই বন্যপ্রাণীদের রক্ষায় শিশুদের সচেতন করার কাজটা ইউনিসেফ করতে পরে। এছাড়া কার্টুন, সিনেমা, নাটক এগুলো মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলে। অন্তত এই অংশগুলোতে বন্যপ্রাণী পালন সংক্রান্ত ব্যাপার গুলো পরিহার করে, মানুষের প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণীর প্রতি ভালোবাসা তৈরি করা উচিত।

বাংলাদেশে মাত্র চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্যপ্রাণী বিষয়ক শিক্ষা চালু রয়েছে। গবেষণাও সীমিত পরিমাণে। এর ফলে গণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা কম, বন্যপ্রাণীরা দেশের প্রাণ-প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ এটা তারা বুঝতে পারছে না। ফলে তারা বন্যপ্রাণী আইন সম্পর্কে অবগত নয় এবং বন্যপাখিগুলোকে কষ্ট দিয়ে খাঁচায় পালন করছে।

আমাদের এই ছোট্ট দেশের বিস্তৃত জীব বৈচিত্র্য অনেক বড় সম্পদ। তাই বন্যপ্রাণী সম্পর্কে ধারণা সকল মানুষের মধ্যে বিস্তৃত করা প্রয়োজন। দেশের গণ মানুষ একটু সময় নিলেও হয়তো বুঝতে পারবে এবং প্রতিটি প্রাণের জীবনের মূল্য দিতে পারবে। বাংলার টিয়ারা বনেই সুন্দর, খাঁচায় তার বন্দীত্ব আর মুক্তির হাহাকারে আত্মচিৎকার পুরো মানবজাতির জন্য অভিশাপ, যা প্রকৃতি আমাদের বুঝিয়ে দিলো করোনা মহামারি দিয়ে। পাখিরা বেঁচে থাকুক বন্য প্রকৃতিতে, সুস্থ নি:শ্বাসে আর পূর্ণ নিরাপত্তায়।

লেখক: শিক্ষার্থী (মাস্টার্স), বন্যপ্রাণী শাখা, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।