‌‌‌‌’জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ভূমিকা রাখবে তরুণেরা’

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব মোকাবেলা করতে তরুণেরা উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনায় গতিশীলতা এনে দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। ১৩ মার্চ, শুক্রবার দিবাগত রাতে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশীপ সেন্টার আয়োজিত গ্লোবাল ইয়ুথ ক্লাইমেট সামিট-২০২১ এর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ মন্তব্য করেন স্পিকার।

বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশীপ সেন্টার আয়োজিত সামিটের ফলস্বরুপ ছয়টি মহাদেশের তের থেকে ২৪ বছর বয়সী পাঁচশত তরুণ বিশ্বব্যাপী যুব প্রতিশ্রুতি চালুকরণের মাধ্যমে বিশ্ব জলবায়ু বিপর্যয় এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবেন জেনে আনন্দ প্রকাশ করেন শিরীন শারমিন চৌধুরী।

স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন মহাদেশের তরুণদের একত্রিত করে তাদের মধ্যে নেতৃত্ব দেবার দক্ষতা তৈরি এবং প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে জলবায়ুর বিরুপ প্রভাব মোকাবেলায় যোগ্য করে গড়ে তুলতে এই ইভেন্ট আয়োজন করার জন্য বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশীপ সেন্টারকে ধন্যবাদ জানান বাংলাদেশের স্পিকার।

তিনি বলেন, জলবায়ু বিরুপ প্রভাব নিরুপক সূচক-২০১৯ অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। জলবায়ুর পরিবর্তনে প্রভাবিত ৪৮টি ঝুঁকিপূর্ণ দেশের সমন্বয়ে গঠিত ফোরামের বর্তমান সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঝুঁকি মোকাবেলায় ‘ডেলটা প্লান-২১০০’ গ্রহণ করেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত পদক্ষেপ অনুযায়ী জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলায় কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশীপ সেন্টার আয়োজিত সামিটে বিভিন্ন অংশগ্রহণকারী উপস্থাপিত নতুন ও উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা অনুপ্রেরণামূলক এবং প্রশংসনীয়।

স্পিকার বলেন, “পৃথিবী শুধুমাত্র একটি গ্রহই নয়, তাই বাসযোগ্য একটি পৃথিবী গড়ে তুলতে জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলা জরুরি। তাই গাছ লাগিয়ে, কার্বন নি:সরণ কমিয়ে জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলা করে পৃথিবী রক্ষা করতে হবে-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশীপ সেন্টারের গভার্নিং বোর্ড মেম্বার ফারজানা কাশফি’র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সামিটের প্রধান উপদেষ্টা ডার্বি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য স্যার ক্রিস্টোফার বল। স্যার ক্রিস্টোফার বল ও তাঁর স্ত্রীকে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় উদ্ভাবনী ধারণা প্রদানকারী ও ইভেন্ট বিজয়ী বারোজন অগ্রসর তরুণ ব্যক্তিত্ত্বকে স্কলারশিপ প্রদানের জন্য স্পিকার অভিনন্দন জানান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ইয়ুথ লিডারশীপ সেন্টারের সভাপতি ইজাজ আহমেদ সমাপনী বক্তব্য শেষে সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।